EIIN : 101439; College Code : Higher Secondary-3150, NU- 1407

চরফ্যাসন সরকারি কলেজ

CHARFASSON GOVERNMENT COLLEGE

"শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ”

Slide1

Suborno Joyonti

Slide2

Photo Gallery

Sports & Cultural Program; Other Program; Study Tour Picture

All Notice

INstitute Notice, Board Notice & Other Admission Notice

Login

Admin, Teacher, Staff & Student Login Panel

Admission Form

Online Admission Form.

Logo

চরফ্যাসন সরকারি কলেজের ইতিহাস ও ক্রমবিবর্তন

ব্রজগোপাল ক্লাবের পাশ্ববর্তী কুটির শিল্পের টিনের ঘরে ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৬৮ইং আনুষ্ঠানিকভাবে কলেজের প্রথম ক্লাস অনুষ্ঠীত হয়। অতঃপর চরফ্যাসনের শিক্ষানুরাগী এবং চরফ্যাসন বাজার ব্যবসায়ীদের অক্লান্ত ও নিরলস প্রচেষ্টায় চরফ্যাসন ট্যাফনাল ব্যারেট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (টি.বি. স্কুলের) ম্যানেজিং কমিটির পক্ষে সেক্রেটারী মৌঃ আবদুল মতিন মিয়া দাতা এবং চরফ্যাসন কলেজ কমিটির পক্ষে সেক্রেটারি ডাঃ আবদুল মতিন মিয়া গ্রহিতা হিসেবে চরফ্যাসন কলেজের নামে ২৪ অক্টোবর ১৯৬৮ইং ১০ একর জমির দলিল সম্পাদন করেন। ১৯৬৯ সালে উক্ত জমিতে টিনের ঘর (বর্তমানে তা সৈয়দ মোশারেফ হোসেন ছাত্রাবাস) নির্মাণ করে কলেজের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। কলেজে ১ জুলাই ১৯৬৮ইং একাদশ বিজ্ঞান ও মানিবিক বিভাগ চালু হয় এবং ১ জুলাই ১৯৬৯ইং একাদশ বানিজ্য বিভাগ চালু হয়। ১৬ জুলাই ১৯৭০ইং কলা ও বানিজ্য বিভাগ স্নাতক (পাস) কোর্স চালু হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ইং সালে মোতাহার উদ্দীন মাষ্টারের প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি/১৯৫৪৯-সি নম্বরযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার পত্র অনুযায়ী চরফ্যাসন কলেজের নাম বাংলায় চরফ্যাসন মহাবিদ্যালয় হিসেবে নামকরণ করা হয়। ১৯৭৩ সালের ১৩ ই ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান চর কুকরি মুকরী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ফেরার পথে চরফ্যাসন কলেজ মাঠে অবতরণ করেন। ১৬ মে ১৯৭৭ইং সালে চরফ্যাসন কলেজ ক্যাম্পাসের উত্তর প্রান্তে বর্তমান প্রশাসনিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সাবেক শিক্ষা সচিব ভোলার কৃতি সন্তান এম মোকাম্মেল হক। পরবর্তী সময়ে এই ভবনটিকে বিভিন্ন সংস্কার করে বর্তমান রূপ দেওয়া হয়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সৎ, দক্ষ, দেশ প্রেমিক, যোগ্য নেতৃত্ব তৈরী করার লক্ষে ৬ ডিসেম্বর ১৯৮৪ইং সালে রোভার স্কাউটস্ এবং ২৭ নভেম্বর ১৯৮৯ইং সালে বিএনসিসি (BNCC) বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (সেনা শাখা) নামে এই দুটি সেচ্ছা সেবী সংগঠন চালু করা হয়। ১৬ জুলাই ১৯৮৪ইং সালে চরফ্যাসন মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক সৈয়দ মোশাররফ হোসেন কর্মরত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন এবং তার সম্মানার্থে ২৫ জুলাই ১৯৮৪ইং কলেজ ছাত্রাবাসের নামকরণ সৈয়দ মোশাররফ হোসেন ছাত্রাবাস করা হয়। ৬ জুলাই ২০০০ইং সাবেক অধ্যক্ষ মরুহুম মাকসুদুর রহমানের প্রচেষ্টায় স্নাতক পর্যায় বি.এস.সি কোর্স চালু হয়। ৮ ডিসেম্বর ২০০৯ইং সালে (সাবেক অধ্যক্ষ কয়ছর আহাম্মদ দুলাল) চরফ্যাসন মহাবিদ্যালয়ের নামে ট্যাফনাল ব্যারেট মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে দুই (২) একর জমি অর্পন নামা দলিল সম্পাদন করা হয়।

এই জনপদের উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মরহুম এম এম নজরুল ইসলাম স্যারের কৃতি সন্তান চরফ্যাসন ও মনপুরার (ভোলা-৪) জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এম.পি’র একান্ত আন্তরিক প্রচেষ্টায় ২ জানুয়ারি ২০১৩ইং সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান বিষয় এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ইং সালে ইতিহাস ও সমাজকর্মসহ মোট পাঁচটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করে উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচন করেন। অতঃপর চরফ্যাসন ও মনপরা বাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পুরনের লক্ষে ১১ অক্টোবর ২০১৩ইং সালে জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এম.পি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সানুগ্রহে কলেজটিকে সরকারি করা হয়।

 চরফ্যাসন সরকারি কলেজের বার (১২) একর অখন্ড জমির উপর সকল অবকাঠামো ও সুবিধাদি বিদ্যমান রয়েছে। এই জমির বিভিন্ন অংশে প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। নতুন করে আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব অনার্স ভবন, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন, নীলিমা জ্যাকব ছাত্রী নিবাস, মসজিদ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে ম্যুরাল, সুবর্ণ জয়ন্তী তোরণ, শেখ রাসেল দেয়ালিকা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও শৃংখলা বজায় রাখার জন্য ক্যাম্পাসকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান উদযাপন করার জন্য হলরুম ছাড়া শহিদ মিনার চত্বর, বটতলা, কদমতলা এবং শেখ রাসেল দেয়ালিকা চত্বর করা হয়েছে। কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষাসমূহ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক এবং স্নাতক (পাস) ও স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষা সমূহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। ভোলা-চরফ্যাসন সড়ক থেকে ১৯৮০ ফুট পশ্চিমে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম সড়কের চরফ্যাসন পৌসভার ৪নং ওয়ার্ডের মনোরম পরিবেশে চরফ্যাসন সরকারি কলেজটি অবস্থিত।

Message

Education Minister

Lorem Ipsum is a dummy text that is mainly used by the printing and design industry. It is intended to show how the type will look before the end product is available. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500:s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. Lorem Ipsum dummy texts was available for many years on adhesive sheets in different sizes and typefaces from a company called Letraset. When computers came along, Aldus included lorem ipsum in its PageMaker publishing software, and you now see it wherever designers, content designers, art directors, user interface developers and web designer are at work. They use it daily when using programs such as Adobe Photoshop, Paint Shop Pro, Dreamweaver, FrontPage, PageMaker, FrameMaker, Illustrator, Flash, Indesign etc.

Lorem Ipsum is a dummy text that is mainly used by the printing and design industry. It is intended to show how the type will look before the end product is available. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500:s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. Lorem Ipsum dummy texts was available for many years on adhesive sheets in different sizes and typefaces from a company called Letraset. When computers came along, Aldus included lorem ipsum in its PageMaker publishing software, and you now see it wherever designers, content designers, art directors, user interface developers and web designer are at work. They use it daily when using programs such as Adobe Photoshop, Paint Shop Pro, Dreamweaver, FrontPage, PageMaker, FrameMaker, Illustrator, Flash, Indesign etc.

Professor Abdul Gafur Principal

Lorem Ipsum is a dummy text that is mainly used by the printing and design industry. It is intended to show how the type will look before the end product is available. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500:s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. Lorem Ipsum dummy texts was available for many years on adhesive sheets in different sizes and typefaces from a company called Letraset. When computers came along, Aldus included lorem ipsum in its PageMaker publishing software, and you now see it wherever designers, content designers, art directors, user interface developers and web designer are at work. They use it daily when using programs such as Adobe Photoshop, Paint Shop Pro, Dreamweaver, FrontPage, PageMaker, FrameMaker, Illustrator, Flash, Indesign etc.

Lorem Ipsum is a dummy text that is mainly used by the printing and design industry. It is intended to show how the type will look before the end product is available. Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500:s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book. Lorem Ipsum dummy texts was available for many years on adhesive sheets in different sizes and typefaces from a company called Letraset. When computers came along, Aldus included lorem ipsum in its PageMaker publishing software, and you now see it wherever designers, content designers, art directors, user interface developers and web designer are at work. They use it daily when using programs such as Adobe Photoshop, Paint Shop Pro, Dreamweaver, FrontPage, PageMaker, FrameMaker, Illustrator, Flash, Indesign etc.

Latest Notice

6

TODAY

29

YESTERDAY

LAST 7 DAYS

8009

TOTAL

Photo Gallery