চরফ্যাশন সরকারি কলেজ
দ্বীপজেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরফ্যাসন সরকারি কলেজ।
বিদায় সংবর্ধনা
জনাব এ.কে.এম. আবদুস সহিদ এর অবসর জনিত বিদায় উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা
৫০ বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠান
Previous
Next

অধ্যাপক আবদুল গফুর

অধ্যক্ষ, চরফ্যাশন সরকারি কলেজ

দ্বীপজেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চরফ্যাসন সরকারি কলেজ। ১৯৬৮ সনে একটি অবহেলিত জনপদে যাঁরা এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করে আলোকিত সমাজ গড়ার স্বাক্ষর রেখেছেন তাঁরা স্মরণীয়-বরণীয়। বাংলাদেশের ১৮টি জেলার ভৌগলিক আয়তন চরফ্যাসন উপজেলার চেয়ে ছোট। জেলা সদৃশ এই উপকূলীয় জনপদে শিক্ষার আলো ছড়াতে চরফ্যাসন সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অবদান রেখেছে। এলাকায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে; যা এই কলেজের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবের ফসল। এ কলেজের অগণিত ছাত্র-ছাত্রী দেশে ও দেশের বাহিরে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে সমাজ ও দেশ গঠনে অবদান রাখছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রজম্মের নৈতিক মূল্যবোধ গঠন ও দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে আলোকিত সমাজ গঠনে এই কলেজ দেশ ও জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষার্থীদের মননশীলতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় চরফ্যাসন সরকারি কলেজ ভূমিকা রাখছে। দৃষ্টিনন্দন কলেজ ক্যাম্পাস, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ, অবকাঠামোগত ও ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় চরফ্যাসন সরকারি কলেজ উপকূলীয় জনপদের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ঐতিহ্য মূল্যায়ন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চরফ্যাসন কলেজকে জাতীয়করণ করে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করেছেন। এ জন্য তাকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। কলেজ গভর্নিং বডির সম্মানিত সভাপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপ-মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব চরফ্যাসন কলেজ সরকারিকরণ, অনার্স কোস চালু করণসহ সার্বিক উন্নয়নে অবদানের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আইন ষ্টাইন বলেছিলেন-“A man without dress, a land without histroy”. ইতিহাসের সে পথ অনুসন্ধানের তাগিদ এবং পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি সৃজনশীল সহশিক্ষার উপর গুরুত্ব প্রদান থেকেই কলেজ বার্ষিকী “পলিমাটির কথা” প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমি মনে করি এটা পূর্ণাঙ্গ কোন ইতিহাস নয়; দীর্ঘ দিন পর একটা পথ তৈরী করে দেয়া হলো। অনাগত দিনে এ পথ আরও সু-প্রশস্ত হবে। নতুন প্রজম্ম ইতিহাসের আদর্শ নিয়ে এ পথকে সচল রাখবে বলে আমি আশাবাদী। “পলিমাটির কথা” প্রকাশে কলেজ বার্ষিকী কমিটি নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাদেরকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সম্মানিত সহকর্মী, হিতাকাঙ্খী, শিক্ষানুরাগী ও ছাত্র-ছাত্রী যাঁদের লেখা, শ্রম, মেধা ও আন্তরিকতা কলেজ বার্ষিকীর শ্রী বৃদ্ধি করছে, তাদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। “পলিমাটির কথা” আগামী দিনে চরফ্যাসন সরকারি কলেজের ইতিহাস-ঐতিহ্যের পাথেয় হিসেবে কাজ করবে-এ কামনা করছি।